
William Wordsworth | |
| জীবনকাল | Birth: 1770 Death: 1850 |
| পরিচিতি | William Wordsworth is a romantic poet. He was inspired by the French Revolution. |
| বিখ্যাত গ্রন্থ | Poems:
Verse: Prelude |
| Important Quotations |
|
১৭৭০ সালের ৭ এপ্রিল ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের নিচু হ্রদ এলাকার অদূরবর্তী শহর ককারমাউথে কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ জন্ম গ্রহণ করেন । ওয়ার্ডসওয়ার্থের পিতার নাম জন ওয়ার্ডসওয়ার্থ, পেশায় তিনি ছিলেন একজন আইন ব্যবসায়ী। ওয়ার্ডসওয়ার্থ খুব ছোটোবেলায়ই তার মা-বাবাকে হারান। এ কারণে লেখাপড়ার খরচ জোগানোর জন্য তাকে তার আত্মীয়স্বজনের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। ১৮৫০ সালে এই মহান কবি পরলোকগমন করেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i) William Wordsworth died in 1850.
ii) Title of Wordsworth is "Worshiper of Nature".
iii) Wordsworth is known as "High Priest of Nature".
iv) William Wordsworth হলেন Romantic যুগের সবচেয়ে উজ্জল নক্ষত্র।
v) তিনি The Poet of Nature (36th BCS), a Lake Poet এবং Poet of Childhood হিসেবে পরিচিত।
vi) William Wordsworth অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন- The French Revolution দ্বারা।
vii) ১৮৩৯ সালে Oxford বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি সি এল উপাধিতে ভূষিত করে।
viii) ১৮৪৩ সালে কবি সাদের মৃত্যুর পর তিনি Poet Laureate / ইংল্যান্ডের রাজ কবি নিযুক্ত হয়েছিলেন।
ix) ১৮৪৩ সালে সরকার তিন শত পাউন্ড অবসরকালীন ভাতা হিসেবে মঞ্জুর করেন।
x) "প্রকৃতির মাঝেই মহান সৃষ্টিকর্তা বিরাজমান" Wordsworth এর এই বিশ্বাস যা পরিচিত Pantheism হিসেবে।
His well-known works :
ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর অধিকাংশ কবিতা রচনা করেছেন ১৭৯৮ থেকে ১৮০৮ সালের মধ্যে। এটাই তাঁর রচনার স্বর্ণযুগ। ১৭৯৮ সালে কবি কোলরীজের সঙ্গে যুক্তভাবে "লিরিক্যাল ব্যালাড” রচনা করেছেন এবং রোমান্টিক তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই গ্রন্থে তাঁর রচিত কবিতাগুলি হলো Goody Blake, The Thorn, The Idiot boy, Tintern Abbey.
- I Wandered Lonely as a Cloud Also known as Daffodils. (Theme: A thing of beauty gives us double pleasure এই কবিতায় কবি Daffodil দ্বারা বুঝিয়েছেন- Nature has a healing power to sorrow stricken heart. (অর্থাৎ প্রকৃতির নিরাময় ক্ষমতা আছে।)
- The Solitary Reaper (একাকী শস্য আহরণকারী) (Solitary Reaper-এর soli-tary কথাটার মধ্যেই নির্জন মুহুর্তের মানবিকতার রূপটি যেন তাতে প্রকাশ পেয়েছে। শুধু মানবিকতা নয়, করুণাঘন মানবিকতা।) (36th BCS)
- Lines Written Above Tintern Abbey (1798) (A winning power, beyond all other Power. আর এই শক্তির সঙ্গে কবির পরিচয়ের বিবরণটি কবি লিপিবদ্ধ করেছেন The Prelude কবিতা বা Tintern Abbey কবিতাটির মধ্যে।)
- The Excursion (1814)( The Excursion (দি এক্সকারসন) কবিতাটি ১৭৯৭ সাল থেকে শুরু করে শেষ করেছেন ১৮১৪ সালে। প্রায় এক শতাব্দী ধরে ওয়ার্ডসওয়ার্থ জগত ও জীবনকে দেখেছেন। কিন্তু কাব্যের ফসল তুলছেন মাত্র দশ কি বার বছরের মধ্যে।)
- The Prelude Or Growth of a Poet's Mind (1850) {১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সালের মধ্যে রচনা করেছেন তাঁর আত্মজীবনীমূলক কাব্য The Prelude (দি প্রিলিউড)}
- The Recluse (1888) (১৭৯৮ সালে Recluse কবিতা রচনার পরিকল্পনাও করেছিলেন। অবশ্য কাব্যটির রচনা শুরু করেছিলেন ১৮০০ সালে। ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম দর্শনতত্ত্বের কাব্য। ১৭ বছর ধরে কাব্য রচনার চেষ্টা করেছেন তবুও এই কাব্যটি অসমাপ্ত থেকে গেছে।)
- Lucy (লুসি নামের একটি মেয়েকে নিয়ে) [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক-৯৮]
- Michael
- Written in March
- Ode to Duty
- To the Cuckoo
- Lyrical Ballads (1798)
William Wordsworth এর গুরুত্বপূর্ণ কবিতাগুলো মনে রাখার কৌশল:
- Excursion (ইকসকাশন)- সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ
- Recluse (রি'কুস)- একাকী
- Solitary (সলিটেরি)- একাকী
- Reaper- শস্যকর্তনকারী
- Cuckoo (কুকু)- কোকিল
Michacl তার প্রিয়তমা Lucy এর সাথে দেখা করার জন্য ভ্রমণ করে March মাসে Tintern- এ গেল। সেখানে Lucy একাকী শস্যকাটার Duty করে। যাওয়ার পথে Michael- Cuckoo ও Daffodil ফুল নিয়ে গেল।
- Michael = Michael
- প্রিয় = The Prelude
- Lucy Lucy
- ভ্রমণ=The Excursion
- March = Written in March
- Tintern = Tintern Abbey
- একাকী = The Recluse
- শস্যকাটা = The Solitary Reaper
- Duty = Ode to Duty
- Cuckoo = Cuckoo
- Daffodil = Daffodils
Wordsworth এর কিছু Quotations:
Wordsworth যেহেতু Poet of Nature ও Poet of Childhood তাই Nature ও Child নিয়ে নিচের দুটি Quotations – Wordsworth বলেছে।
- Nature never did betray the heart that loved her- ("প্রকৃতি কখনোই তাকে আঘাত করে না যে হৃদয় তাকে ভালবেসেছে” অর্থ্যাৎ প্রকৃতি কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না, তাদের সঙ্গে যারা তাকে মনে প্রাণে ভালবাসে। (Tintern Abbey কবিতায় কবি তার ভগিনী Dorothy কে এই কথাটি মনে রাখতে বলে।)
The child is father of the man. (ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে) (My Heart Leaps up when I Behold) - Wordsworth যেহেতু Daffodils নিয়ে কবিতা লিখেছেন তাই Daffodils নিয়ে নিচের Quotation টি তাঁর হওয়া স্বাভাবিক
- All at once I saw a crowd, a host of golden daffodils. (35th BCS) Ten thousands saw I at a glance tossing their heads In sprightly dance. - The daffodils কবিতা থেকে [আমি এক নজরে দশ হাজার ফুল দেখলাম]
- Our birth is but a sleep and a forgetting. (আমাদের জন্ম তো ঘুম আর ভুলে যাওয়া-এখানে কবি বলতে চেয়েছেন যে, জন্মের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে ঐশ্বরিক সচেতনতা জাগ্রত হয় না বরং স্বর্গীয় সচেতনতা আমরা হারিয়ে ফেলি- Intimations of Immortality (অমরত্বের ইঙ্গিত)।
- Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings: it takes its origin from emotion recollected in tranquility." - কবিতার সংজ্ঞা Lyrical Ballads (গীতিধর্মী গাঁথা কবিতাগুচ্ছ) এ দিয়েছেন)
- The music in my heart I bore/Long after it was heard no more. (The Solitary Reaper এর শেষ দুটি লাইন)
বিখ্যাত গ্রন্থ Daffodils এর সারসংক্ষেপ :
কবি একদিন উদ্দেশ্যহীনভাবে উৎফুল্ল মনে একাকী Lake (হৃদ) এর পাশ দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত চমৎকার। পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের লুকোচুরি খেলা কবির মনে সাড়া জাগায়। হঠাৎ তিনি লেকের পাশে একটি গাছের নিচে অগণিত ড্যাফোডিল ফুলের উচ্ছলতা লক্ষ করেন। মৃদুমন্দ বাতাসে সোনালি রঙের ড্যাফোডিল আনন্দে নাচছিল দেখে কবির মনও ড্যাফোডিলের সৌন্দর্যে ও প্রাণ চঞ্চলতার আনন্দের নেচে ওঠে।
- Wordsworth-এর I Wandered Lonely as a Cloud কবিতাটি রোমান্টিক কবিতার অন্যতম নিদর্শন। এখানে একক বক্তা হিসেবে কবি ড্যাফোডিল ফুলের সৌন্দর্য অতিরঞ্জিত ভাষায় বর্ণনা করেছেন। কবি যখন উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, তখন হ্রদের ধারে বৃক্ষের নীচে অগণিত সোনালি রঙের ড্যাফোডিল ফুলের সমারোহ দেখলেন। ফুলগুলোকে তাঁর কাছে জীবন্ত কোনো বস্তুর মতোই মনে হলো। কারণ ফুলগুলো মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে তাল মিলিয়ে শব্দ করে নাচছিল। ফুলগুলো কবির শূন্য উদাসীন মনে সুখের অনুভূতি সৃষ্টি করল।
তিনি ফুলগুলোকে তুলনা করলেন ছায়াপথে মিটমিট করে জ্বলা তারাদের সাথে। কবি দীর্ঘক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ড্যাফোডিলের সৌন্দর্য উপভোগ করলেন। ফুলের নাচন ও হ্রদের ঢেউয়ের ঝিলিককে কবি কল্পনা করলেন আনন্দের সঙ্গী হিসেবে, কারণ তারা বিশাল ঐশ্বর্যের প্রদর্শনী এনেছিল কবির কাছে। পরবর্তীকালে তিনি যখন ফেলে আসা দিনগুলোর কথা একাকী ভাবতেন, তখন ড্যাফোডিল ফুলের এই নান্দনিক দৃশ্য তাঁর মানসচোখে ভেসে উঠত এবং তাকে আনন্দ দিত। সেই সাথে তাঁর হৃদয় নৃত্যরত ড্যাফোডিল ফুলগুলোর সাথে নেচে উঠত। - নৈসর্গিক দৃশ্যাবলির রূপকার কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ রচিত 'Lyrical Ballads' (লিরিকাল ব্যালাডস) যা তিনি বিখ্যাত কবি কোলারিজের সহযোগিতায় রচনা করেন। এটি প্রথম সংস্করণে ওয়ার্ডসওয়ার্থ বিখ্যাত কবিতা 'Tintern Abbey' সংকলিত হয়। যা ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ 'Tintern Abbey' কবিতায় নৈসর্গিক দৃশ্যাবলির কবির গভীর আত্মিক যোগাযোগ ও প্রকৃতির প্রতি নিবিড় আকর্ষণ লক্ষ করা যায়। এখানে কবি নিসর্গ চিত্রের মাঝে মহান স্বর্গীয় এক উজ্জ্বলতার প্রকাশ লক্ষ করা যায়। এটা সহজে বলা যায় যে, কবি তার অন্তরের গহীনতর প্রদেশে সদা লালন করেছেন প্রকৃতির প্রতি গভীর মমতা। 'Tintern Abbey' রচনার সাথে কবির ব্যক্তি জীবনের নানা বিষয় জড়িত। ১৭৯৩ সালে কবি স্যালিসব্যারি হতে নর্থ ওয়েলস এর পথে পদব্রজে যাত্রা করেছিলেন। পথে যেতে যেতে তিনি পথিমধ্যে টিনটার্ন নামক ভগ্ন প্রায় গির্জাটি দেখতে পান। এই ভগ্ন প্রায় গির্জাটির অবস্থান ছিল ওয়ে নদীর কিনারে। এর চারপাশে প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্যাবলি কবিকে রীতিমতো আকৃষ্ট করেছিল। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর ১৭৯৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে কবি ফের টিনটার্ন গির্জা দেখতে যান। দ্বিতীয়বার দর্শনে এর চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি কবিকে মোহিত করে। কবি এর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি দ্বারা মুগ্ধ হয়ে এ কবিতাটি রচনা করেন। - কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর 'Michael' কবিতায় একজন মেষপালকের জীবন যাত্রার হাসি কান্না ও বেদনার অপরূপ চিত্র তুলে ধরেছেন।
মাইকেল একজন মেষপালক। সে গ্রেসমেয়ার নামক এক নির্জন পাহাড়ি উপত্যকায় বাস করেন। তার সাথে বাস করেন তার স্ত্রী ইসাবেল। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মাইকেল মেষ চারণে শ্রমে ক্লান্তিহীন, শুধু মেষ পালনে নয় অন্য সকল কর্মেও সে কুশলী।
সে আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি বলতে পারে, বাতাসের গতিবেগ দেখে সে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানিয়ে দেয় প্রতিবেশিদের। সারাদিন কঠোর শ্রম দানে তার কোন ক্লান্তি নেই। তাঁর স্ত্রী ইসাবেলও খুবই করিৎকর্মা; সে তার চরকায় সুতা কাটে দিনরাত। মহান ঈশ্বরের ইচ্ছায় মাইকেল যখন সত্তরে পা রেখেছে তখন ঘর আলো করে এক পুত্র সন্তান। মা বাবা তার নাম রাখল লুক। জীবনের সমস্ত ভালোবাসা মাইকেলের লুককে অবলম্বন করেই। লুককে বুকে ধরে আনন্দে দিন কাটে এ দম্পতির। লুক সারাদিন দুরন্তপনা করে বেড়ায়, ঘুরে বেড়ায় উপত্যকা জুড়ে। আবার মাইকেল জমিজমার অধিকারী, চাষাবাদ হয়, তাতে করে মাইকেলের মোটামুটি আয় রোজগার যথেষ্ট। এভাবেই তিন জনের সুখে দুঃখে কেটে যাচ্ছিল দিনগুলো। মাইকেল তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র মোটা অংকে টাকা প্রদান করে ব্যবসার জন্য। শেষে তার অর্ধেক জমি বিক্রি করে ঋণ শোধ করে। মাইকেল ভাবে তাঁর বাকি সম্পত্তি নষ্ট করা যাবে না, পুত্র লুকের জন্য তা রাখতে হবে।
মাইকেল একসময় ভাবল তার এই পুত্র যদি বিদেশে গিয়ে আয় রোজগার করে, তাহলে তো তাদের সমস্যা থাকা কথা নয়। এই ভেবে সে তার প্রবাসী আত্মীয়ের সাথে যোগাযোগ করে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। লুকের মা নানা টানা পোড়েনে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে শেষে রাজি হয়। পুত্রের চলে যাওয়ার বিষয়টি রীতমতো মাইকেলকেও আঘাত করে। অবশেষে একদিন দু'জনের চোখের মনি, আদরের ধন একমাত্র পুত্র বিদেশে চলে যায়। মা বাবা আশায় বুক বেধে থাকে। লুক প্রথম দিকে নিয়মিত পত্র লিখত, ভালো ভালো খবর পাঠাত। এর পর ক্রমেই পত্রের সংখ্যা কমতে কমতে শেষে বন্ধ হয়ে যায়। মাইকেল জানতে পারল লুক তার আত্মীয়ের কাছ হতে সরে অন্য এক দেশে পাড়ি জমিয়েছে। হতাশায় ভেঙে পড়ল মাইকেল, শোকে দুঃখে একদিন ইহকাল ত্যাগ করল। মাইকেলের খামার অঞ্চল বিক্রি হয়ে গেল। ভেঙে পড়ল ঘর দরজা, সেখানে তখন শুধু চাষাজমি আর একটি ওক গাছ দাঁড়ানো কালের সাক্ষী হয়ে।
মোটকথা একজন মেষপালকের জীবনের হাসি-কান্না, ব্যথা-বেদনা আর আশা আঙ্ক্ষার কাহিনী এখানে অসাধারণ মহিমায় অংকন করেছেন কবি। - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ রচিত গীতি কবিতাগুলোর মাঝে (Ode: Intimations Immortality) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ কবিতার কিছু অংশ লেখা হয় ১৮০৩ সালে। অবশিষ্ট অংশ লেখা হয় ১৮০৬ সালে। এখানে কবিতার মূল বিষয় হচ্ছে মানবের আত্মার অবিনশ্বরতা। মানব পৃথিবীতে আসার পর তার আত্মা থাকে উজ্জ্বলতায় ভরা, আনন্দে মুখরিত প্রকৃতির নানা রূপরাজি, রূপরস স্পর্শ গন্ধ সবই তার কাছে থাকে একেবারই আনকোরা। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ভেতরের আশা আকাঙ্ক্ষা, প্রকৃতির আনন্দ উৎসবের প্রতি ভাটা পড়ে। প্রকৃতির রূপ রঙ তার কাছে ম্লান হতে থাকে। শিশুকাল থাকে বর্ণিল আনন্দে মুখরিত সবকিছুই ধর্মীয় আভাযুক্ত মনে হয়। কবি বলেন, আমাদের জন্ম শুধু ঘুম আর ভুলে যাওয়া, কিন্তু আমাদের মাঝে জেগে থাকে অবিনশ্বর আত্মা।
কবি শিশুর নতুন জীবনের প্রতি তাকিয়ে অনুভব করেন কী উজ্জ্বলতা তার মাঝে, আর এই শিশু যখন ক্রমে পরিণত বয়সের দিকে অগ্রসর হয়ে উঠে যেতে থাকবে আনন্দ উল্লাসপ্রকৃতির যে রঙ সে শৈশব কৈশোরে অবলোকন করা হয়েছে তা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসবে। কবি বলেন শেষ পর্যন্ত আমাদের আনন্দ উল্লাস ভষ্মধারা অর্থাৎ ছাইগাদায় কোন রকমে টিকে থাকে। জীবন হতে বহু মধুর স্মৃতি হারিয়ে যায়, নানা ভাবনা দুঃচিন্তা এসে এসে ভর করে। কবি বলেন আমাদের এ মানবাত্মা স্বর্গলোক হতে পরিচ্ছন্ন একটা রূপ ধারণ করে। পৃথিবীর আবিলতা ক্রমেই সে আত্মাকে গ্রাস করে। কবি বলেন, দেহের বিনাশ ঘটলেও আত্মার বিনাশ ঘটবে না কখনোও। পৃথিবীর সমস্ত আবিলতা আর কোলাহলের মাঝেও মানবের আত্মা অন্তরের আহ্বান, আত্মলোকের আলোকবর্তিকা হৃদয়ে ধারণ করে রাখে। আর আমাদের আত্মা বহু দূর হতে অমরত্বের সমুদ্রকে দেখে, আদি মানবাত্মা যে স্থান হতে এসেছিল এ পৃথিবীতে। কবি বলেন, মহান ঈশ্বরের সৃষ্টি আর অপার মহিমা তিনি অন্তর দ্বারা অনুভব করেন। তিনি বলতে চান তিনি মহান ঈশ্বরের অলৌকিক বাধনে বাঁধা। কবি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরিশেষে এই বলেন যে, আমি বেঁচে আছি কোমলতার মাঝে অনিত্যতার মাঝে নানা বিজয় আনন্দ বহন করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more